টেকওলি ব্লগ

ভবিষ্যৎ এখন প্রযুক্তির হাতে - ব্লগিং / এসইও / অ্যাডসেন্স / ব্লগার / ওয়ার্ডপ্রেস / ফ্রিল্যান্সিং


অনেকেই ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসা করতে চান। কিন্তু ভাল কোনো আইডিয়া অনুসন্ধান করে পান না। তাদের জন্য টেকওলির এই পুস্টটি উৎসর্গ করা হল। ইন্টারনেট থেকে যেসব ব্যবসার মাধ্যমে ভাল আয় করতে পারবেন ও যেসব ব্যবসায় কম মূলধন প্রয়োজন নিম্নে সেগুলা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

অনলাইন হোস্টেল ও বাস টিকেট বুকিং

বাংলাদেশে বিশেষ করে কক্সবাজার, চেন্টমার্টিন ইত্যাদি স্থানে বিদেশ থেকে ভ্রমণকারীরা আসেন। এসব ভ্রমণকারিদের হোস্টেল ও বাস টিকেট বুকিং এর প্রয়োজন হয়। তারা বেশিভাগই অনলাইনের এসবের অর্ডার করেন। আপনি তাদের এই বাস ট্রিকেট ও হোটেল টিকেট বুকিং করে দিতে পারেন। এজন্য আপনার একটা ওয়েবসাইট লাগবে। যেটার মাধ্যমে ক্রেতাসাধারণ আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনার ওয়েবসাইটে কিছু তথ্য রাখতে হবে যেমন- বিভিন্ন টুরিস্ট প্লেসের তালিকাসহ এসব জায়গার বিভিন্ন হোটেলের তালিকা, এর পরিসেবার বিবরণ, টিকেটের দাম ডলারে থাকতে হবে। বিদেশিরা আপনাকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ক্যাশ টাকা দিবে না। তারা কার্ডের মাধ্যমে ডলার হিসাবে পে করবে। এজন্য আপনার কার্ড থাকতে হবে।

অললাইন বুটিক

বিশেষ করে মেয়েরা অনলাইনের মাধ্যমে বুটিক শুরু করতে পারেন। ছেলেরাও পারবেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন পোশাক ও ফ্যাশন সামগ্রী বিক্রি করাকেই মূলত অনলাইন বুটিক বলা হয়। এক্ষেত্রে আপনার ক্রেতাসাধারণ ফেসবুক পেইজ / ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পন্যের অর্ডার করবে। এজন্য আপনাকে পন্যের ছবি, বিবরণ ও মূল্য উল্লেখ্য করে ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। বর্তমানে এই ব্যবসার মাধ্যমে অনেকে নিজদের অর্থনৈতিক কল্যাণ সাধন করে নিয়েছেন। এই ব্যবসায় মূলধন ১-৫ লক্ষ্য টাকাই যথেষ্ট।

ডেটিং ওয়েবসাইট

যারা রিলেশনশিপ বিষয়ে ভাল বুঝেন ও রিলেশনশিপ পরামর্শক হন, তারা ডেটিং ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করতে পারেন। আপনার ডেটিং ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের পার্টনার খোঁজতে পারে উক্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমের। বাহির দেশের এই ব্যবসায়িক আইডিয়া প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাংলাদেশেরও আপনি চাইলে এটা শুরু করতে পারে। এর জন্য আপনার ওয়েবসাইট মেনেজ ও প্রচার-প্রসার নিয়ে খুব বেশি নাহলেও মোটামুটি জ্ঞান থাকতে হবে। মূলধন প্রাথমিক ৫০ হাজার টাকা ওয়েবসাইট (ডোমাইন, হোস্টিং, ডিজাইন সহ) + ওয়েবসাইটের অ্যাপ তৈরির খরচ পড়বে। প্রাথমিক খরচের পর বিজ্ঞাপন ও ফেসবুক পুস্ট বুস্টিং করতে নিয়মিত কিছু খরচ করতে হবে। এছাড়া কিছু দিন পরপর সাইটের উন্নয়নকাজ করতে হবে। এখানে আপনার আয় আসবে ওয়েবসাইটের মেম্বারশিপ ফিস থেকে। আর ওয়েবসাটের ফ্রি মেম্বারশিপ চালুও করতে পারেন তাদেরকে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আয় করতে পারবেন।

ই-কমার্স দোকান

বাংলাদেশ অনেক ই-কমার্স দোকান আছে। আপনিও এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন নতুন কোনো পন্য নিয়ে। ই-কমার্স দোকান বা স্টোর হল অনলাইনের মাধ্যমেই যেখানে ক্রেতাগণ পণ্য দেখে অর্ডার ও মূল্য পরিশোধ করতে পারেন ওয়েবসাইটের মাধ্যমের। এর জন্য আপনার ওয়েবসাইটের প্রয়োজন আছে। এবং ওয়েবসাইটে ই-কমার্স সেটাপ দেয়া থাকতে হবে। এই কাজগুলা বাংলাদেশ থেকে ওয়েবডেলপারদের কাছ থেকে ই-কমার্স দোকানের ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন। ই-কমার্স দোকানে আপনি মোবাইল, কেমেরা, মোবাইলে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, কম্পিউটারসহ এর বিভিন্ন অংশ, ঘড়ি, বই, গ্রিপ্ট সামগ্রী, মেয়েদের সাজের জিনিশ ইত্যাদি রাখতে পারেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সপার্ট

আপনার হাতে যদি প্রচুর সময় থাকে এবং আপনি যদি ফেসবুক, টুইটার, গুগলপ্লাস, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি চালাতে পারেন। তাহলে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিদের ফেসবুক পেইজ, ইমেইল একাউন্ট চালিয়ে আয় করতে পারবেন। এক্ষেত্র উক্ত ব্যাক্তি আপনাকে পে করবে। আপনি জানেন যে, খেলোয়াড়, টেলিভিশন তারকা, ছায়েছবির তারকা, বিভিন্ন ব্যস্ত ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তি বর্গ তাদের ফেসবুক পেইজ নিজেরা চালান না। তাদের বিশস্ত্য কাউকে দিয়ে চালান। এক্ষেত্রে তাদের পেইজ আপনিও চালানু দায়িত্ব নিতে পারেন। যদি এমন কোনো কাজ না পান। তাহলে কোনো সমস্যা নেই আপনি বিভিন্ন সেলিব্রেটির ফ্যান তৈরি করে নিজে চালাতে পারেন। পেইজ জনপ্রিয় হলে এর থেকে আয় করতে পারবেন। এছাড়াও নিজেই নিজেই পেইজ চালান যদি জনপ্রিয় করতে পারেন এর থেকেও আয় করতে পারবেন। এর জন্য তেমন মূলধন খরচ নেই বললেই চলে।
গুগল শীর্ষ সার্চ করা বিষয়

গুগলে এ বছর বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি কোন বিষয়টি বা কাকে খুঁজেছেন? বাংলাদেশের সার্চ ট্রেন্ড বলছে, গুগলে এ বছর বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকের মডেল সাবিলা নূরকে।

Subila nur photo

গুগল ট্রেন্ডসের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি ট্রেন্ডিং সার্চের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। দেশভিত্তিক ও বৈশ্বিকভাবে গুগল সার্চ ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে। গুগল বেশ কিছু ক্যাটাগরি বা বিভাগ হিসেবে সার্চ ট্রেন্ড প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশকে নিয়ে ‘সার্চেস’, ‘পিপল’ ও ‘নিউজ’—এই তিনটি ট্রেন্ড প্রকাশ করেছে গুগল। এর মধ্যে ‘পিপল’ অংশে ১০ জনের নামের তালিকা দিয়েছে। তাঁদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী সাবিলা নূর । তারপর আছে মার্কিন পর্ণ মডেল মিয়া খলিফা। তিন পর্যায়ে নম্বরে আছেন ক্রিকেটার তাসকিন আহমেদ। এরপরই আছেন আমাদের বাংলা ছবির নায়ক শাকিব খান। জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম আছেন পাঁচ নম্বরে স্থানে। সার্চ ট্রেন্ডে জায়গা করে নিয়েছেন মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল তাকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যম গুলাতে আলোচনা সমালোচন চলছিল। তারপর আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় তারকা মাশরাফি বিন মুর্তজা। এরপরের অবস্থানে বাংলাদেশি ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদি। অভিনেত্রী শবনম বুবলীকেও এ বছর মানুষ খুঁজেছে বেশি। তিনি আছেন নয় নম্বর স্থানে। এ ছাড়া দশম স্থানে আছেন সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম।
‘সার্চের’ বিভাগে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে তির, জাগ্গা জাসুস, দঙ্গল, আইপিএল, এসএসসি রেজাল্ট, মুন্না মাইকেল, হাফ গার্লফ্রেন্ড, ডব্লিউডব্লিউই এক্সট্রিম রুলস, রাবতা ও বিপিএল।
‘নিউজ’ বিভাগে খোঁজা হয়েছে শিবাত্রি অ্যাসল্ট, জেএসসি কোয়েশ্চেনস, রোহিঙ্গা, আর্জেন্টিনা সাবমেরিন, বাংলাদেশি সেক্স অফেন্ডারস, একটি বাড়ি একটি খামার, মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ, দুর্গাপূজা, চিকুনগুনিয়া, সাইক্লোন মোরা।

বৈশ্বিক স্তরে শীর্ষ যে পাঁচটি বিষয় মানুষ বেশি গুগলে খুঁজেছে, সেগুলো হলো হারিকেন ইরমা, আইফোন এক্স, ম্যাট লয়্যার ও মেগান মার্কেল। ‘হাউ টু’ বিভাগে মানুষ খুঁজেছে—হাউ টু মেক স্মাইল, মেক সোলার একলিপস গ্লাস, বাই বিটকয়েন, ওয়াচ মে ওয়েদার ভার্সেস ম্যাকগ্রেগর ও মেক আ ফিজেট স্পিনার।
এ ছাড়া ‘কনজুমার টেক’ বিভাগে এ বছর মানুষ বেশি খুঁজেছে আইফোন ৮, আইফোন এক্স, নিনটেনডো সুইচ, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৮ ও এক্সবক্স ওয়ান এক্স। এ ছাড়া নকিয়া ৩৩১০, রেজার ফোন, অপো এফ ৫, ওয়ানপ্লাস ৫ ও নকিয়া ৬ ঘিরে ছিল মানুষের আগ্রহ।

- প্রথম আলো থেকে নেয়া
আপনার হাতের মোবাইল ফোনটির জনক কে বা আবিষ্কার কে তা কি জানেন। অনেকেই জানেন না হয়ত। আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রটির জনক সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত। তাহলে জেনে নিন কে তিনি, প্রযুক্তির এই মহামূল্যবান যন্ত্র সেল ফোনের আবিষ্কারক বা জনক হলেন মার্টিন কুপার (ইংরেজি : Martin "Marty" Cooper;
জন্ম : ২৬ ডিসেম্বর, ১৯২৮ ) ।

মোবাইল ফোন জনক বা আবিষ্কারক কুপার

মার্টিন কুপার ১৯৫০ সালে ইলিনয়িস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে
স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি স্নাতক ডিগ্রী শেষে কোরিয়ার যুদ্ধের সময় মার্কিন নৌবাহিনীর সংরক্ষিত বাহিনীতে সাবমেরিন অফিসার হিসাবে কাজ করেছেন। ১৯৫৭ সালে আইআইটি থেকেই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ২০০৪ সালে এখান থেকেই সম্মানেরসহিত ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন। মার্টিন কুপার দাম্পত্য সঙী হিসাবে বিশিষ্ট উদ্যোক্তা, আবিষ্কারক, বিনিয়োগকারী এবং নীতি পরামর্শক ও তারবিহীন মোবাইলের ফার্স্ট লেডি হিসেবে পরিচিত আর্লিন হ্যারিসকে বিয়ে করেন। কর্মজীবনে তিনি ১৯৭০-এর দশকে মোটোরোলা কোম্পানীতে কর্মরত অবস্থায় প্রথমবারের মতো হাতের মুঠোয় মোবাইল ফোন থেকে কথা বলেন এবং এর উন্নয়নে কাজ করে যান। এরপর একে বাজারে বিক্রিয়জাত করেন। এরফলে তিনি বৈশ্বিকভাবে সেল ফোনের বা মোবাইল ফোনের জনকের মর্যাদা পান। এছাড়াও তিনি আধুনিক বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে জনসমক্ষে মোবাইল ফোনধারী হয়ে আছেন। তাঁর স্ত্রী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়িক অংশীদার আর্লিন হ্যারিসের সাথে অনেকগুলো যোগাযোগ বিষয়ক কোম্পানী গঠন করেন। বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার দেল মার এলাকায় অবস্থিত ডায়না এলএলসি কোম্পানীর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও, ফেডারেল কমিউনিকেশন্স কমিশন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে জড়িত রয়েছেন কুপার।

সূত্র- উইকিপিডিয়া || ফটো- https://en.m.wikipedia.org/wiki/File:Martin_Cooper,_Two_Antennas,_October_2010.jpg
ভাল করে গুগলসার্চ করতে জানলে ইন্টারনেটের প্রায় ৮০% তথ্য আপনার হাতের মুটোয় চলে আসল মনে করতে পারেন। হাজার হাজার বিষয়ে হাজার হাজার তথ্য/ডাটা আছে ইন্টারনেটের মধ্যে। কিন্তু ইন্টারনেটের কোথায় আছে তা আমরা নির্দিষ্ট করে জানি না। এজন্য গুগলের সাহায্য নিতে হয়। এজন্য আপনি গুগললে যত স্মার্টভাবে সার্চ করতে পারবেন তত সহজে আপনার চাওয়া তথ্যটি খোঁজে পাবেন। তাহলে জেনে নিন কিভাবে গুগলে স্মার্টভাবে সার্চ করতে হয়।

নির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইটের তথ্য খোজতে সাইটের নামের পূর্বে site: লিখে সার্চ করতে হয়। একে ইংরেজি বলে রিফাইন্ড ওয়েবসার্চ। যেমন আপনি Www.Techoli.com এর ভেতরে তথ্য খোঁজতে চান তাহলে লিখবেন - site:www.techoli.com । নির্দিষ্ট বিষয়ের উক্ত ওয়েবসাইটে তথ্য খোজতে যেমন- এসইও এর বিষয়ে তথ্য খোজতে চান তাহলে গুগলে লিখতে হবে - site:www.techoli.com এসইও । এক্ষেত্রে যেমন সকল সরকারি ওয়েবসাইটের তথ্য সার্চ করবেন তাহলে site:.gov.bd এটা লিখে স্পেস দিয়ে তারপর সার্চের বিষয় লিখবেন।


ফেসবুক, টুইটার থেকে তথ্য খোজতে সাইটের নামের পূর্বে @ লিখতে হবে যেমন- @facebook লিখে এর পর স্পেস দিয়ে কোন বিষয় খোজতে চান তা লিখুন। উদাহরণ- @facebook বাংলাদেশের প্রকৃতি

মূল্য লিখে সার্চ করতে মূল্যের পূর্বে $ যুক্ত করতে হবে। যেমন- Laptop $500 (ডলার হিসাবে সার্চ করলে $ দিবেন,Euro হলে £ দিবেন)। আর যদি ১০০ ডলার থেকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত দামের স্যামসাং মোবাইল খোজেন তাহলে লিখবেন - Samsung Smartphone $100..$600 এভাবে।

হ্যাশট্যাগ সার্ করতে শব্দের পূর্বে হ্যাশট্যাগের অনুরুপ # দিয়ে সার্চ করতে হবে। অবশ্য এবিষয়টা কমন তাই সাবাই জানি।

অনেক সময় একটি শব্দ দিয়ে সার্চ করলে অনেক অপ্রয়োজনীয় রেজাল্ট চলে আসে যেমন- Wordpress বিষয়ে সার্চ করতে চান কিন্তু এর প্লাগিন এর রেজাল্ট বাদে দেখতে চান তাহলে লিখবেন wordpress -plugins । মানে উক্ত শব্দটি যেটার বিষয়ে রেজাল্ট না দেখতে চান সেটার পূর্বে - (ডেশ) দিবেন।

কোনো একটা বিষয়ে লিখে সার্চ করলেন। কিন্তু রেজাল্ট অনেক হাবিজাবি বিষয় এসে যাবে। যেমন - Bangla Golpo সার্চ করতে লিখবেন "Bangla Golpo"

কোনো বিষয়ে সার্চ করতে চান কিন্তু এর একটি ওয়ার্ড জানেন না। তাহলে ওখানে * দিয়ে দিবেন। যেমন: Ten Top * in Word

এখন সাথে দুইটা বিষয়ে সার্চ করতে OR লিখবেন। যেমন Samsung OR Oppo । OR শব্দটা বড় হাতে ইংরেজ অক্ষর হবে।

কোনো ওয়েবসাইটের মত আর সাইট দেখতে চান। তাহলে লিখবেন related:techolI.com। অথবা বিডিনিউজ২৪ মত ওয়েবসাইট দেখতে লিখবেন related:bdnews24.com। নির্দিষ্ট সাইট সম্পর্কে তথ্য জানতে লিখবেন - info:prothom-alo.com। প্রথম আলো এর জায়গায় কাংক্ষিত সাইটের নাম হবে।

কোনো ওয়েবসাইটে ডুকতে চাচ্ছেন কিন্তু ওয়েবসাইটিতে ইরর বা অনলাইন দেখাচ্ছে বা পেইজ লোড নিচ্চে না তাহলে চিন্তার কোনো কারণ নেই উক্ত ওয়েবসাইট গুগলে সেইভ করা থাকে। ঐ সেইভ করা খেজ ভার্শন দেখতে লিনকের পূর্বে cache: লিখে সার্চ করবেন। যেমন: cache:www.techoli.com/p/about-us.html

ইন্টারনেটের প্রায় প্রতিটা ফটো বা ইমেজ-এর কপিরাইট আছে। এই সব ইমেজ যদি আপনার ওয়েবসাইটে কপি করে ব্যবহার করেন। তাহলে এর জন্য আপনি আইন অনুযায়ী শাস্তিরযোগ্য আপরাধী। কারণ ঐ ইমেজের মালিক বা যে ব্যক্তি তৈরি করেছেন উনার অনুমিত ছাড়া ব্যবহার করেছেন। এক্ষেত্রে এটা ব্যবহারের জন্য মালিকের অনুমতি লাগবে। তা না করলে অনেক সময় আপনার ওয়েবসাইট গুগল থেকে পেলান্টি খেতে পারে বা র‍্যাংক কমে যেতে পারে।

এধরেন আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্যালেন্ডার ছাপাতে চান। এজন্য যদি গুগল থেকে ইচ্ছা অনুযায়ী ইমেজ / ফটো নিয়ে ক্যালেন্ডারে বসান। তাহলে যদি উক্ত ইমেজের কপিরাইট মালিক আপনার নামে বা কোম্পানির নামে মামলা করে। তাহলে এর জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এমন কি জেল হতে পারে।

এজন্য আপনার ব্যবসায়িক কাজে বা ওয়েবসাইটে ব্যবহারের জন্য কপিরাইট ফ্রি ফটো ব্যবহার করতে পারেন। এতে কোনো সমস্যা হবে না। গুগলে অসংখ্য এধরণের কপিরাইট ফ্রি ইমেজ/ ফটো পাবেন। এর জন্য গুগলে গিয়ে সার্চ করতে হবে একটু আলাদা পদ্ধতিতে। এই লিংকে (এখানে ক্লিক করে) গিয়ে সার্চ করে হবে। প্রথম বক্সে যা সার্চ করতে চান তা লিখবেন। নিচের দেখুন Usage Rights নামে সেকশন বক্স আছে। এখানে Free to Use and Share সিলেক্ট দিন।



উপরের Usage Rights সেকশন Free to Share and Modify দিবেন, যদি আপনি ওয়েবসাইটের মডিফাই/ ইডিট করে ইমেজ সেয়ার করতে চান। ব্যবসায়ীক কাজে ব্যবহার জন্য ইমেজ খুজলে ঐ যায়গায় Free to share, Modify and Commercially Use দিয়ে সার্চ করবেন।

ওয়েবসাইট / ব্যবসার ইমেজ নিজে বানালে সবচেয়ে বেশি ভাল হয়। এক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছা প্রছন্দ অনুযায়ী সুন্দর ফটো বানিয়ে ওয়েবসাইটকে আরু আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। পিসি ব্যবহারকারি হলে ফটোশপ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ইমেজ তৈরি করা শিখে নিন। এবিষয়ে ইউটিউবে ভাল ভাল টিউটোরিয়াল পাবেন বাংলাতেই। আর যদি এন্ড্রোইদ ফোন ব্যবহার করেন তাহলে মাত্র ৪ এম্বির একটা এপ (Photoeditor) দিয়ে অনেক ধরণের ইমেজ বানাতে পারবেন। অ্যাপ লিনক (Playstore) থেকে ইনস্টল করে নিন।
অ্যাডসেন্স আবেদন
অ্যাডসেন্সের আবেদন করে ইমেইলের অপেক্ষায় আছেন? কিন্তু ইমেইল আসতেছে না। তাদের জন্য আজকের এ পুস্ট লিখছি।

অ্যাডসেন্স আবেদন করার ৬ ঘন্টার মধ্যে ইমেইল আসে। হ্যা, অনেকের ১ দিনে আবার অনেকের ৩ দিনে ইমেইল আসে বা অ্যাডসেন্স থেকে তাদের আবেদনের বিষয়ে জানানু হয়। অনেকের আবার সাপ্তাহ পার হয়ে যায়। তবু অ্যাডসেন্স থেকে কোনো ইমেইল আসে না। এমন কেন হয়? অনেকে এ প্রশ্নটা করে থাকেন।

কেনো অ্যাডসেন্স ইমেইল আসে না বা লম্বা সময় নেয়

অ্যাডসেন্স সাধারণ সর্বোচ্চ ৩ দিনের মধ্যেই রিভিউ করে ইমেইলের মাধ্যমের আবেদননের অবস্থা জানিয়ে দেয়। আবেদন গ্রহণ না করা হলে তার কারণ জানিয়ে দেয় ইমেইলের মাধ্যমে। আবার অনেকের ইমেইল আসে না। সেটার সুনির্দিষ্ট কারণ কেউ বলতে পারে না। তবে অ্যাডসেন্স নিয়ে খোঁজ খবর করে যেসব কারণে অ্যাডসেন্স ইমেইল পেতে লম্বা সময় নেয় তার কিছু কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হলঃ
  • ডোমেনের বয়স কমঃ যে ডোমেন দিয়ে এপ্লাই করেছেন । সেটার বয়স বা নতুন ডোমাইন হলে - ১ মাসেরও কম এমন ডোমেনের ইমেইল দেরিতে আসে। যারা তাড়াহুড়া করে অ্যাপ্লাই করেন, তাদের একটু বেশি সময় নেয়। এজন্য ডোমেনের বয়স বাড়ান এবং বেশি করে কন্টেন্ট যুক্ত করেন। তারপর আবেদন করেন।
  • কম ভিজিটরঃ ভিজিটর কম হওয়ার কারণে আপনি যে সাইটে এডকোড বসিয়েছেন তাতে ইম্প্রেস হচ্ছে না অথবা এমন সাইটের জন্য আবেদন করছেন যেখানে বিন্দু মাত্র ভিজিটর নাই। অনেকে একটা কথা বলেন, ভিজিটর একদম লাগে না। এটা ১০০% ঠিক না। কেননা একটা বিজ্ঞাপনী কোম্পানির জন্য ভিজিটর/ পাঠক অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
  • রিজেক্ট করার পর, ঠিক না করে আবেদন করাঃ আবেদন করার পর এডসেন্স থেকে যখন জানিয়ে দেওয়া হবে যে আপনার আবেদন করা সাইটের অনুমোদন করা হয়নি। তারপর যদি আপনি সমস্যা ঠিক না করে আবেদন করেন।
  • পূরাতন জিমেইল একাউন্টঃ যে জিমেইল দিয়ে একবার আবেদন করেছেন। ঐ আবেদন গ্রহণ করা হয়নি কিংবা এপ্রুভ করেনি। উক্ত জিমেইল দিয়ে ২য় বার নতুন সাইট দিয়ে অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করলে।


উপরে উল্লেখিত বিষয় বিবেচনা করে আবেদন করলে আশা করি দ্রুত ইমেইল পাবেন। আরেকটা বিষয় জেনে রাখা ভাল। যদি ব্লগার থেকে আবেদন না করে সরাসরি নিজস্ব বা টপলেভেল ডোমেন দিয়ে আবেদন করেন তাহলে সাইটের হেড ট্যাগের মধ্যের অ্যাডসেন্স প্রদত্ত কোড বসাতে হয়। ব্লগার সাব ডিমেন / ফ্রি ব্লগার সাব ডোমেন দিয়ে আবেদন করেন তাহলে কোড বসাতে হবে শুধু মাত্র সাইটের ল্যায়াউটে অ্যাডসেন্স Widget বা এড ইউনিট যোক্ত করতে হবে।
ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছেন কিন্তু তাতে ভাল আইডিয়ে খোঁজে পাচ্ছেন না। কোন বিষয়ে সাইট তৈরি করবেন তা মাথায় আসছে না। তাদের জন একটা ভাল আইডিয়া নিয়ে আসলাম। সেটা হল বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে ব্লগ বা ওয়েব সাইট তৈরি। সাবটাইটেল কি বিশেষ করে যারা নিয়মিত ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষার ছবি / মুভিজ দেখেন, তারা ভাল করে বুঝেন এটা কি ও এর ব্যবহার করতে পারেন। তাই এবিষয়ে বিস্তারিত বললাম না।

ব্লগিং আইডিয়া সাব টাইটেল

মভি বাংলা সাবটাইটেলের ব্লগ বা ওয়েব সাইট বানাতে কত খরচ হবে

বাংলা সাবটাইটেলের ওয়েবসাইট যদি ব্লগার তৈরি করেন তাহলে প্রায় ১,৫০০টাকা খরচ হবে (ডোমেইন ৭শত থেকে ৮শতটাকা + থিম ৫শত থেকে ৭শতটাকা)। আর যদি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি করতে চান। তাহলে প্রায় ২,৮০০টাকা মত লাগবে (ডোমাইন + হোস্টিং + থিম = ৮০০+১২০০+৮০০ টাকা)।

ভিজিটর কেমন পাবেন

অনেক বাংলাদেশি মানুষ আছে যারা বিদেশি ওয়েবসাইট থেকে বাংলা সাব টাইটেল ডাউনলোড করে ছবি দেখেন। আমি নিজেও তাদের মধ্যে একজন। বিদেশি ওয়েবসাইটে এই সব সাব টাইটেল গুলা কিন্তু আনাদের এদেশি ছবি পাগল মানুষরা বানিয়ে আপলোড দেয়। বিভিন্ন হলিউড ছবির বাংলা সাব টাইটেল নিয়ে প্রচুর সার্চ হয়। তাই এই টপিক নিয়ে কাজ করলে প্রচুর ভিজিটর পাবেন।

আয় কেমন হবে

যেহেতু প্রচুর ভিজিটর পাবেন। তাই আয় নিয়ে ভাবতে হবে না । তবে নিয়মিত সাব টাইটেল আপডেট করতে হবে। প্রতিটি নতুন ছবির সাব টাইটেল দূত তৈরি করার চেষ্টা করবেন। গুগল ছাড়াও ফেসবুক গ্রুপ থেকে ভাল ভিজিটর পাবেন। ভিজিটর পেলে আয় নিয়ে চিন্তা করতে হবে না।

কিভাবে সহজে ছবির বাংলা সাব টাইটেল বানাবেন

প্রায় সব নতুন পুরাতন ইংরেজি ছবির ইংরেজি সাব টাইটেল পাওয়া যায়। আপনি যদি ভাল ইংরেজি বুঝেন তাহলে ইংরেজি সাব টাইটেল ডাউনলোড করে শুধু ইংরেজির জায়গায় অনুবাদ করে বাংলা লিখবেন। সাধারণ টেক্সট ইডিটর দিয়েই এই কাজ করতে পারবেন মোবাইল প্লাস কম্পিউটার যেকোনো একটা দিয়েই।

সাইটে কিভাবে সাব টাইটেল আপডেট দিবেন

প্রথম ছবির নামের সাথে মিল রেখে পুস্টের টাইটেল দিবেন। তারপর পুস্ট কন্টেন্ট এ ছবির মূল গল্পের কিছু অংশ লিখবেন। এছাড়া ছবিটি সম্পর্কে কিছু তথ্য যেমন ছবির দৈর্ঘ্য কত সময় পর্যন্ত, ছবির রিলেজের তারিখ, ছবির ফাইল ফরমেট, কাস্টিং এ কে কে ছিল, ধরণ ও পরিচালকের নাম। পুস্টের সাথে এটেচমেন্ট হিসাবে সাব টাইটেল ফাইলটি zip ফাইল করে আপলোড দিবেন।

সাব টাইটেলের ওয়েব সাইট বানাতে চান, কিন্তু ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন না।এখন কি করবেন?

প্রথম শিউর হন আপনি নিজে সাব টাইটেল বানাতে পারেন। পারলে ২-৩ জন বন্ধু নিয়ে সাব টাইটেলের কাজ করলে ভাল হবে। তা নাহলে তেমন ফল পাবেন না। শুধু শুধু টাকা জলে পেলবেন। সাইট বানাতে আমাদের "টেকঅলির" যোগাযোগ পেইজে গিয়ে আপনি কোন বিষয়ে সাহায্য চান লিখুন। আপনার সঠিক ইমেইল বা ফেসবুক আইডি দিবেন, যাতে আমরা পরবর্তিতে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারি। টেকঅলির পক্ষ্য থেকে এবিষয়ে আপনাকে হেল্প করা হবে। তবে ডোমেইন, হোস্টিং ও থিমের জন্য ফি দিতে হবে।

আরো ব্লগিং ও ওয়েবসাইট তৈরির আইডিয়া নিয়ে আগামি কোনো একপুস্টে লেখা হবে। এপর্যন্ত সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।